রুবাইদ মেহেদী

নিজেকে যায় না চেনা, আয়নার মিথ্যে শ্লোগানে...

রুবাইদ মেহেদী

Archives

শতদল

  তবু হাতুড় মিথ্যে ভারী বোধের বোবা দেয়াল ভাঙ্গায়, শহর জুড়ে বন্য শুয়োর ইচ্ছে মতন চক্ষু রাঙায়। ইচ্ছে মতন ভেংচি কেটে ইচ্ছে যাকে ফেলছে পুতে, খুবলে পাজর কলজে চেটে ঘেন্না ধরায় মানুষ ছুঁতে। আজকে ভীষন দ্বিধা ও ক্ষোভ পিছের দেয়াল পিঠ লাগোয়া স্বপ্ন বলে আজ কিছু নেই আজ যা কিছু; রক্তে ধোয়া। তীব্র পাষাণ ভাঙছে

বিসংবাদ

  মেঘে আগুন লেগেছে, সন্ধ্যা মাটি অ-ফলা, এখনও বন্ধ্যা তবু, জোয়ালের দাগ কাঁধ চিরে বসে যাবেএএএএএ……… আমাকে তোমাকে শকুনীরা ছিঁড়ে খাবেএএএএএ……… ক্রীতদাস দিন নানা বেশে নানা রঙে ফিরে ফিরে আসে লোভ-লাভ শতো সঙে সুখ সুখ করে বুক ভরে গেলো শাপে অলীক দ্রোহরা কাল কাল করে কাঁপে বরাভয় নাই, বাহুল্যে বেঁচে থাকা ভিতরে কি সার! হাহাকার!

(নিশি)পুলিশনামা

স্থান কাল চেপে যাই। পায়ে হেঁটে ক্যান্টনমেন্টে ঢুকছি। একজন মিলিটারি পুলিশ আমাকে আটকালেন। আইডি দেখতে চাইলেন। মানিব্যাগ খুলে ডেবিট কার্ডটা বের করলাম। উনি বললেন, যান! কোন এক ব্যস্ত চৌমাথায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছি। আচানক একজন ট্রাফিক পুলিশ এসে বললেন, “এক্সকিউজ মি, আপনি কিসের ছবি তুলছেন?” বললাম, এইতো, মানুষ, রাস্তা, গাড়ি, দালান, এইসব। বললেন, দেখান। বললুম, দ্যাখেন। কয়েকটা শট দেখে

কলাপাতায় চিংড়ি বা চিংড়িপিঠা রেসিপি

  কথা হবে সোজাসাপ্টা।  জগতে মানুষ আছে দুই ধরণের। ১. যারা চিংড়িপিঠা খেয়েছে আর ২. যারা খায়নি। বলছিলাম চিংড়িপিঠার কথা। এটা বরিশাল অঞ্চলের একটা খাবার, ভাতের সাথে খেতে হয়। এর স্বাদ সম্পর্কে একটা কথাই বলতে পারি, এই মহাজগতে এই মানবজন্মে এর মতো স্বাদু জিনিস আমি খুব কমই চেখেছি 😀 যা যা লাগবেঃ দুর্মা নারকেল বাটা

দেখতে ঝাল, খেতে মিষ্টি!! ডিম ভুনা!!

  ছোটবেলায়, তখনও ঝালের প্রতি আমার ভালোবাসা অতোটা জন্মায় নি। এদিকে আমার বাসার সবাই সেই রকমের ঝালখোর। ভাত খেতে বসলে দেখা যেতো, আমার চোখের জল নাকের পানি একাকার হয়ে যাচ্ছে। তখনো হাত দিয়ে খাওয়াটা আমার চলে আসে নি। মা’ই খাইয়ে দিতেন।  তো একদিন, মা ডিম ভুনে নিয়ে এসেছে। দেখা মাত্র আমার গগনবিদারী চিৎকার শুরু!! ঝাল!!

পরিপ্রেক্ষিত

  অথচ, ঝড়ের আগে, আমারও অহম ছিলো। ক্ষুধা ছিলো অবিনীত চোখে। ফিরবার তাড়া ছিলো পায়ে। এখন জেনেছি ভেঙে, দিকভাঙা বৃষ্টিতে পাহাড়েও ধ্বস নামে। কখনো কখনো, বাতিঘর, সেও ডুবে যায়। তবুও, কে জানে, হয়তো মানুষ বলে, যুদ্ধফেরত বুক জেগে ওঠে অদিনের গন্ধ পেলেই। রক্তে কোথাও ঠিকই টান টান হয়ে আছে, কামনায় বিহ্বল পরিচিত নষ্ট পুরুষ। রাতের

নৈঋত

  ভয় পাচ্ছি। নিয়তিকে নিয়তই শ্রাবণজলের মত অভব্য উচ্ছৃঙ্খলতার অধিকার দিয়ে নিজেকে বিষিয়ে ফেলেছি শহুরে সন্ধ্যার নগ্ন কারাভ্যানে। তোমার কান্না অগ্রাহ্য করে তাই আমি আর নীল না হয়ে, বরং আকাশ হচ্ছি রোজ। বুকে কংক্রিটের স্লাব, কিছু স্মৃতি, শিশুতোষ, আনুভুতিক মার্বেল, আধুলির শ্লেষ টুংটাং বাজিয়ে যাচ্ছে। আমার থেতলে যাওয়া জিভ যদিও রাত্রির কোলাহলে আবৃত্তি করতে চায়-

পিরিত

  আমার ঘুম পায় না, আমার বিড়ি পায়!! পেরেম টেরেম না, সোনা খাড়ায়! একটা তুলতুলা গরম ভিজা ভোদার মইদ্যে খাড়া সোনাডা ইট্টু ইট্টু কইরা ঢুকাইতে মনে চায়। পাছার গোশত খামচাইয়া ঠাইস্যা ভোদার মইদ্যে নিজেরে হান্দাইয়া দিতে মনে চায়। আস্তে আস্তে ভোদার গরমে ঘুরায়া ঘুরাইয়া ঢুকাইয়া, তারপর বাপের নাম ভুলানি ঠাপ। চুইদে চুইদে মাগীর ভোদাটারে হা

একান্তর

  -missed me? -অসহ্য! -i love u tooo -u better die -died enough, don’t u see? -…sigh -…sigh -ভালো আছো? -মন্দ-ভালো, সব তো আপেক্ষিক। -এপ্রেসিয়েশনটাই মুখ্য, ভুলে যাচ্ছো। -চেষ্টা করছি -হুম -হুম -তারপর? -মন ভালো নেই। -কি কারণ? -অকারণ, -হাহ -হতে নেই? -না হবার কি? – আসলে, তোমায় মিস করছিলাম খুব। – বটে! – না

শোকের জন্যে এলিজি

মৃতের কোন নাম থাকে না।নামহীন মানুষের জন্যে,জীবিতের উৎসবেপর্দা নামাতে নেই। মৃত্যুই বরং এক রঙিন অজুহাত।দ্যা শো মাস্ট গো অন! ঘোলা স্রোত, ঘোলা চোখ,ঘোলা ঘোলা মেঘের আকাশ!বিষণ্ণ বাতাস মেখে, বৈরাগী বুকের কাহনগান হয়ে ওঠে। ধান হয়ে ওঠে কারোসবহারা ঘামের শরীর। উকি দেয় একাদশী চাঁদবারোয়ারী রাতে.পোড়া উঠোনের কোনে আবছা ফলক।ফলকেরও ঝাপসা ভীষণ,নাম থাকে। মৃত্যুর, কেবলই, কোননাম থাকে না।