রুবাইদ মেহেদী

নিজেকে যায় না চেনা, আয়নার মিথ্যে শ্লোগানে...

রুবাইদ মেহেদী

Archives

উদ্ভাস

মায়ার গরাদে মাথা ঠুকে বৃথাকি পাবে? আঘাত! শোন নবনীতা,এই খেলাঘর কারাগার আরকে কার এখানে? কে জানে.. দুরাশা!শেকলের গাঁথা পড়ে আছে আর…পড়ে আছি আমি, তুমি, আমরাপ্রহসনে বাঁধা কব্জিতে কাঁদেদ্রোহের আঁকুতি; হায় বন্দিরা…. শোন মন্দিরা বাজে…ভুল প্রেমিকের চুম্বন-ক্ষত ভুলে…কি হয় ফিরলে? কি ক্ষতি ছিঁড়লেমিথ্যে রাখির গ্রন্থি…?

নিভৃতা, আমিতো আছি

কোনদিন, যদি মনে হয় শূন্য পৃথিবী তোমার বুঝি; কেউ নেই পাশে দাঁড়াবার… যদি চেয়ে দেখো, নিঃস্ব-রিক্ত আজ জীবনের চোরাবালি; কিছুই রাখেনি বাকী আর। ভুলেও কেঁদোনা বন্ধু, অশ্রুটুকু থাক। তোমার আঁধার আকাশ, বোবা চোখে দেখে যাক কেটে গেছে রাত… আমার দু’হাতে ধরা তোমার দু’হাত।

অবিস্মৃতা

নতুন ভোরের ছবি আঁকা নতুন কোন পাতা, তোমায় করবে ক্ষমা; কেমন করে? বাদল দিনের মেঘের ছায়া যায় ভেসে, তাও যায় না সরে; বৃষ্টি ঝরে। সেই বৃষ্টি-কাদার মান অভিমান হতেও পারে তার অবসান তবু, ভাঙ্গা মনের ভাঙ্গা ঘরে ঠাঁই কি পাবে; নতুন করে? লজ্জা-দ্বিধার ভাঙ্গলেও বাঁধ মন করে যায় তার প্রতিবাদ নিজের ভাষায়, নিজের ব্যথার সুরে

নিস্প্রভ ভাস্কর

আবেগের সমুদ্রে হঠাৎ এ কোন জলোচ্ছাস মিথ্যে কি তবে এতদিন ধরে জেনে আসা বিশ্বাস। তোলে ঝড় মনে বড় অকারনে অচেনা সুখের পাখি মাধবী এ মন চায় ছুঁতে তার আকাশের মত আঁখি, কেয়ার কাননে কিসের আকুতি বুঝি না যে কিছুতেই ইরাবতী ধারা মোছে দরশন, “প্রেম বলে কিছু নেই”। ভাবনার মাঝে শত সিন্ধুর উত্তাল জলরাশি লোহু কহে

প্রত্যাশা

আকাশের প্রশস্ত ললাটে আমি এঁকে দেবো অধরের ছাপ উদ্দাম চুম্বনে- গোধূলীর আবীর জ্বালিয়ে দেবো ভর দুপুরের সূর্যের গণগণে গোলায়- তারার চুমকিগুলো পেড়ে সেলাই করে নেবো আমার সোনালী পাঞ্জাবীতে- পৃথিবী ছাড়িয়ে উঠবো অনেক অনেক উপরে; পৃথিবীকে বুকে নিয়ে। (৩০.১১.২০০৫)