পোষাকী স্বাধীনতায় আর পোষাচ্ছে না।
স্বেচ্ছাচারের অধিকার চাই।
যখন একটা মাত্র জীবনের, বর্তমানটুকু ছাড়া
আর কিছুকেই বিশ্বাস নেই,
অন্যায় বলো না, আমাকে নিংড়ে নিতে দাও
আমার প্রত্যেক ফোঁটা বর্তমান।
কি হবে, অন্ধতার ভয়ে আলোকে জাপটে রেখে
শেষে অগোচর ছিদ্র ধরে চুঁইয়ে গেলে
প্রদীপের সবটা জ্বালানী! ড্রপারে জীবন মেপে বাঁচা যায়!
কি হবে! এপাড়ে-ওপাড়ে, ভাঙ্গনের কালে ঘর বেঁধে?
কি ক্ষতি! ভাসালে ভেলা অবহেলা ভরে?
অনিশ্চয়তা ছাড়া-
আর কিছু থাকলো না যদি,
জুয়া হোক, অনিশ্চয়তার সাথে অনিশ্চয়তার।
তুচ্ছাতি-তুচ্ছ যত খেদের কসম!
আজ মাড়াবোই আমি সব প্রেম ও আদরের মুখ।
স্নেহতে অরুচি বাড়ে, নিষেধ ও শাসনের
যাবতীয় কপটতা, ছিঁড়ে ছিঁড়ে ছুঁড়ে দেবো
হিসেবী নর্দমায়। সামনে বা পিছনে
আর কিছু থাকলো না যদি-
অন্যায় বলো কেন?
আমাকে নিংড়ে নিতে দাও, আমার
প্রত্যেক ফোঁটা বর্তমান।
ঔদ্ধত্য নয়, জীবনের অহম
জ্বেলে আছি বুকে। কিছুতেই
কোন দেয়াল
দেবো না ছোঁয়াতে এই পিঠের কিনার।
দেখোনি বারুদ চোখে? প্রয়োজনে
অট্টহাসে ঠোঁটে নেবো
জীবনের সিগ্রেটে
শেষ সুখটান।
কিছুতেই.. আপোষ হবে না কোন, বৈরী সময়
যতই খুড়ুক গোর, তৈরী রাখুক
কফিন-পেরেক হাতে-
হয়নি সময়।
হবেও না এই বেলা আর।
এখন মেলবো ডানা ঘর ভাঙ্গা তুমুল বাতাসে।
১২.০৯.২০১১