ঝেড়ে ফেলি; ঝরে উদ্বাস্তুর সাধ
এত রাত, তবু রাতের তারারা জাগা
ফের ঝাঁকি দেয় দুর্বল ভাঙ্গা কাঁধ।
ঝড়ে যাওয়া কুঁড়ি, পাপড়ির বৃষ্টিতে
স্বপ্নগুলোর নীরব বৃন্তচ্যুতি,
ঠিকরায় তবু আধপোড়া দৃষ্টিতে
ফিরে আসবার তীব্র প্রতিশ্রুতি।
আসমান ভরা টের পাই অবসাদ
প্রতিকূলতার নিলাজ আস্ফালন
পোড়াও নিয়তি, পুড়ে যাক যত খাঁদ
আমি হারি, তবু হেরেও হারে না মন।
জানি জানি আজ চৈত্র শেষের দিনে
দগ্ধ দু’চোখে পোড়া, মাটি-ফাঁটা দৃষ্টি
ভরে গেছে বুক দুর্ভাগ্যের ঋণে
সুদ শুধে যায় বৈশাখী ঝড় বৃষ্টি।
ঈষাণের মেঘে ধেয়ে আসে পরাজয়
গলা টিপে ধরে সমর্পনের গ্লাণি,
আমার স্বরেও যোদ্ধার শ্লেষ রয়-
“খেলছো নিয়তি, আমিও খেলতে জানি।”
পরোয়া করি না বেওয়ারিশ অভিশাপ
জারজ ব্যথারা উগরায় আক্রোশ,
নিয়তির মুখে পাল্টা লাথির ছাপ
এঁকে দেবো; আছে আমারও দুঃসাহস।