আমার
অন্ধমেঘের গন্ধে ভরা
দন্দ্ব-জ্বরার আকাশটায়
মন্দবেলার ছন্দপতন
প্রচন্ডতায় প্রকাশ পায়।
আঁধার ঘনায়; বাঁধার প্রাচীর
ধাঁধাঁর মতো বুকের পর
বারেবারে আসছে ফিরে
ভাঙ্গছে পাজর পাষাণ ঝড়।
দাপায় দানব নিয়তি আজ,
খেলছে জুয়ায় পুতুল নাচ
তপ্ত খুনে রাঙছে জীবন,
স্বপ্ন নারে; ভাঙ্গছে কাঁচ।
প্রতিশোধের বোধ ওড়ে আজ
প্রতিরোধের তুমুল তোড়ে,
সুযোগ পেয়ে মাছের মা’রা
পুত্রশোকের লোবান পোড়ে।
বাড়ছে রাত আর রাতের তারা
মেঘের ভাঁজে দিচ্ছে ডুব,
দৃষ্টি ভরা অন্ধকারও
চোখের জলে ভিজছে খুব।
হতাশ আশার জ্বোনাক গুলো
এলোমেলো মেলছে ডানা,
এমন রাতেও উল্কা ছোটে;
ধূমকেতুরা দিচ্ছে হানা।
“যায় আসে না কিছুই তাতে”-
আঁধার রাতের যাত্রী হাঁকে,
“দিক হারালেও ডুববো না আর
দুর্ভাগ্যের ঘূর্ণিপাকে।”
“খোদার কসম বলছি দেখো
আসবো ফিরে আবার ঠিক,
সবুর করো রাতটা পোহাক;
আকাশ বুকে আবীর নিক।”
“ভোর না হলে এই দু’হাতেই
সূর্য তুলে সে ভার নেবো,
রক্তে আমার পূব আকাশের
ভরবো সিঁথি, সিঁদুর দেবো।”
-অনীক
২১.০৫.০৮