তবু কত প্রিয় ছিলো- টাল চাকা, চেইনের
জং ধরা ঘড়ঘড় শব্দ।
এখনো কানে বাজে- সুতোকাটা রাত্তিরগুলো,
চোখে ভাসে, সোডিয়াম সোনালুরা।
তারপর…
ধুপ করে…
“খুব-ভোর” নেমে এলে, পরোটা-ঝুপড়িগুলোতে-
আড়মোড়া ভাঙতো সকাল। আমি-
চা-দোকানে টুং টাং.. টুং টাং..
ঝিম ভাঙানিয়া শুনে,
ফিরতে থাকতাম।
আকাশে তখনও ঘোলা ডোরাচাঁদ, আর
শহর ভেঙে বুনো ট্রাকগুলো
ভাগছে.. ভাগছে..
আর ক্রমশ
বাতাস থেকে বাতাসের গন্ধ
মিলিয়ে যাচ্ছে।
আকাশটা না, আজ আর চা-দোকান বোঝে না।
মেঘে আর সিগ্রেটে, আলাপীও; জমে না তেমন।
শুধু বোবা, ছাতিফাটা রোদ্দুরে, আর তৃষ্ণায়,
বেঁচে থাকে মুখোশেরা।
বেঁচে থাকে দাঁড়কাক।
আর পলাতক চোখগুলো…
ডাস্টবিন-কাক-নোখে বিঁধে
স্রেফ মরে যায়….
এই জীবনটাও,
সত্যি কথা,
সুর্যিয়াল হতে চায়,
পারে না।