তোমাকে এনে দেবো বলে
অনুভূতির অনুরণনে কাঁদা সুর,
সুর দিয়ে গেছি
সম্ভব অসম্ভবের
সবকটা কবিতায়।
আচ্ছন্নতার শেষে খুলি চোখ,
চোখে পরে পড়ন্ত সূর্য,
এবং কারো চলে যাবার
ক্ষয়িষ্ণু পদচিহ্ন।
এভাবেই,যদি চলে যাবে..
খেয়ালী সারস স্বভাবে..
কি প্রয়োজন ছিলো
এই একুশ শতকে এসে
অর্ফিয়াসকে
আবার জন্ম দেবার?
আমিতো অর্ফিয়াস হতে চাই নি।
উদাস কবিতার পোষক আমি
প্রেমিকও হতে চাইনি।
শুধু “স্বপ্ন দেখবো”- এই স্বপ্নটা দেখে
চোখ রেখে তোমার দু’চোখে
পুড়িয়ে ফেলেছি চোখ…….
এইটুকু স্পর্ধার প্রতিশোধে
জীবনের ক্ষীণ সব পরতা থেকে
খুঁটে খুঁটে
এভাবেই তুলে নেবে-
সবটুকু সুখ?
কেড়ে নেবে- সকাল-দুপুর-বিকেলের
সবটা আলো, রাত্রির সবটা জোৎস্না
সবকটা জ্বোনাকী____
অন্ধকারের চিতায় এখন, শুন্যতা আমাকে পোড়ায়।
তোমাকে এনে দেবো বলে,
জীবনের গন্ধে ভরা
রক্তগোলাপের
গাঢ় থেকে গাঢ়,
আরো গাঢ় সব কুঁড়ি..
পৃথিবীর সবকটা বাগান ঘুরে,
এফোঁড়-ওফোঁড় করে সবটা অরণ্য,
ফিরে এলাম,
নিয়ে এলাম-
আস্ত আমার হৃৎপিন্ডটাই___
তুমি ফিরেও দেখোনি!
উদাস নিজের পথেই
ঘাসফুল ছিঁড়ে.. ছুঁড়ে..
কি শিশুতোষ খেলে গেছো;
আপন খেয়ালী মনে-
আফসোস;
অনেক বুঝেও আজও
ঠিক- “বুঝে ওঠা” হলোনা তোমায়
কে জানে? আমি নির্বোধ!
নাকি তুমিই দুর্বোধ্য?
-১২.০৩.০৬