আমার হাতের কাগজে তোমাদের অস্থিরতার চিঠি
আমার উদ্বাস্তু দিনেরা, তার কোন সংলাপে নেই।
তোমাদের কীর্ত্তন শেষে, আমার বারান্দা থেকে
চড়ুইয়েরা ফিরে যায়, যার যার ঘুলঘুলিতে।
জানলা মেলে দাঁড়াবো, তেমন কপাট বাকী নেই।
কোথাও আর যাবার থাকে না বলেই, বোধকরি,
থেকে যাই- থাকা আর না থাকার মাঝে।
***
শীতাতপ সন্ধ্যে পোহালে,
কুয়াশা ভিজিয়ে গেলে- অভিলাষী কাঁচের দেয়াল,
আমাকে দেখতে চেও, পাবে।
একটুও না বদলানো
ঠকতে ভালোবাসা
একই সে মানুষটার
পরিচিত ছিন্ন পোষাকে
অন্যরঙা পালকের
দিকভুল পাখির মতোন।
***
কথা ছিলো, আমাদের মৃত্যু হবে না।
এই “আমাদের” বিশদতায় ঠিক কার কার স্বাক্ষর ছিলো
আমরা দেখিনি। এবং.আদতেই,
আমাদের মৃত্যু হয় না কখনো। হয়তো,
ঝাপসা হয়ে যায়- স্বাক্ষর,
চুক্তিনামা।