বয়েসটা থেমে যেতো যদি..
শৈশবের “আমি”টায় ফিরে যাওয়া যেতো যদি..
কিছুতেই কোনদিনও, এই অনিশ্চিত
দূষিত যৌবনে, ভারক্লান্ত প্রৌড়ত্বের দরজায়
দাঁড়াতে না হতো..
কিংবা
জীবনের মুখস্ত ধারাপাতে
এতোটা অরুচি নিয়ে
বেড়ে ওঠা “আমি”
পিছুটানহীন অবাক উড়ালে
নিরুদ্দেশ হতে পারতাম যদি….
এই একুশ শতকে এসে__
বেঁচে থাকা যেন, ঘানি টানা বলদের মতো
একঘেয়ে, ক্লান্তিকর। মুখস্ত নামতার মতো
বারবার লিখবার বিরক্তি…
কে জানে! জন্মাতে বুঝি বড় দেরী হয়ে গেলো!
বেশ দেরী..
বেশ ক’টা “হাজার বছর”।
সাধ ছিল, বরফে তুষারে
ওম নেবো; মেরু ভালুকের লোমে।
মরুতে, অরন্যে, জীবনের জয়ভেরী
বাজাবো তুমুল..অস্তিত্বের
অফুরান অহমে,
“বেঁচে থাকা” সুরভীর মতো,
সাধ ছিলো, ছড়াবো জনান্তিকে।
সাধ ছিলো, অভিযাত্রিক জীবন কাটাবো।
অভিযাত্রিক জীবন কাটাবো।
অভিযাত্রিক জীবন কাটাবো।
বড় দেরী হয়ে গেলো..
এইতো,
বেশ ক’টা “হাজার বছর”।