আমার ঘুম পায় না, আমার বিড়ি পায়!!
পেরেম টেরেম না, সোনা খাড়ায়! একটা তুলতুলা গরম ভিজা ভোদার মইদ্যে খাড়া সোনাডা ইট্টু ইট্টু কইরা ঢুকাইতে মনে চায়। পাছার গোশত খামচাইয়া ঠাইস্যা ভোদার মইদ্যে নিজেরে হান্দাইয়া দিতে মনে চায়। আস্তে আস্তে ভোদার গরমে ঘুরায়া ঘুরাইয়া ঢুকাইয়া, তারপর বাপের নাম ভুলানি ঠাপ। চুইদে চুইদে মাগীর ভোদাটারে হা কইরে ফালায়ে, মনে চায় দুদ গুলানরে বালিশ বানাইয়ে ঘুমাই, মাল ফালানির পর।
কেরামত মুচি গরগর করে।
মাগী আমার এতো পিরিত বোঝে না। বালডা কয়, বিটা মাইনষের এতো নিশা নাকি জীবনে দেকিনি।
-পাছার গোশতের মদ্যি দেকার কি আছে! লাগাতি আইছো, লাগাবা, পয়সা দিবা, চলি যাবা। তুমি তো আর রোজ রোজ আসপা না। বান্ধা কাষ্টমার হাতে যতো রেইখে পারা যায়। তুমি বালডা টাইম মতোন চুইদে বাড়ীত গিলি আমি ঘরে আরো দুটো কাষ্টমার ঢুকুতি পারি, সে হদিস আছে।
মাগীর আমার ছুৎ মেলা। মাগী হইয়েছে, পাছা মারতি দেবে না। আরে, পয়সা কি কম দিচ্ছি আমি তোরে? তালিপরে, পাছা মাত্তি দিবি না ক্যান!!
মাগীর পাছার কতা মনে হলিপর আমার ধোনডা টনটন কইরে উঠে। মাগীর ঝি মাগী, একদিন তোর পাছা যদি আমি না মারিছি, তো কি কইসি!! পাছা মাইরি তোর গু বাইর করি দোবো।
——–
——–
-অই, কি কও? কি হইসে?
রাসাবানু ধাক্কা দেয় কেরামতরে। ঘুম ভাঙ্গে কেরামতের। রাসাবানুর দিকে চোখ মুখ খিচকে গরগর করতে করতে পাশ বদলায়।
রাসাবানুর ঘুম আসে না। সারারাত রাসাবানুর ঘুম আসে না। কোন রাতেই রাসাবানুর ঘুম আসে না।
রাসাবানু, আজীবনই রাতের মানুষ।
কেরামত মুচি একটা জানোয়ার। লুইচ্চার একশেষ। রাসাবানুও জানতো, কেরামত মুচির মতোন খবিশ আর কোন মানুষ হতে পারে না। মহল্লার একটা মাগীরেও পাছা মারতে বাদ রাখে নাই কেরামত। কেবল, রাসাবানু ছাড়া। পাছার ব্যাপারে রাসাবানুর নোখরামোর শেষ নেই।
অথচ, রাসাবানুর ঘর ধরার পর থেকে ওর ঘরেই কেমন জানি স্থায়ী হয়ে গেলো কেরামত। শোবার আগে পরে পাছা মারার জন্য পীড়াপিড়ি করা ছাড়া কেরামত এমনিতে ফার্স্ট ক্লাস কাষ্টমার। রাসাবানু শুরুতে একটু ভয়েই ছিলো। মাসীর কাছে তো বরং পাছা না দেয়ার নালিশ গেলেই বিপদ।
কেরামত মুচি। একটা জানোয়ার। সারা দিন জুতা সেলাই করে, সারা রাত এই বেপাড়ার ঘরে ঘরে কাটায়। এঘরে ওঘরে কাটিয়ে রাতের শেষটায় রাসাবানুর ঘরে আসে, কয়টা নোট আর পরনের লুংগি একসাথেই ফেলে ঢলে পড়ে।
রাসাবানু কল পাড়ে কোমর ভেঙ্গে বিছানায় পড়ার আগ পর্যন্ত কেরামতের গল্পটা ছিলো এরকমই। এ মহল্লায় যেহেতু কোমর ভাঙা মাগীর কোন ভাত নেই, তাই রাসাবানুকেও হয়তো বের করে দেয়া হতো। অথবা সে নিজেই বেরিয়ে যেতো, যেতে হতো তাকে। একটা ঘরের অনেক দাম এ পাড়ায়।
কোনদিনও বিয়ে থা না করা কেরামত মুচী কোমর ভাঙা রাসাবানুকে গাট্টীবোচকা সমেত সেইদিনই কলাপাড়া বস্তিতে নিয়ে গেলো, নিজের ঝুপড়ি তে।
এরপর, অদ্ভুত ব্যাপার, মহল্লায় কখনোই আর কেরামতকে দেখা যায় নি।
ভাবতে ভাবতে দীর্ঘশ্বাস ফেলে রাসাবানু।
-মানুষটা কি সোন্দর ঘুমায়।
রাসাবানু হাতপাখা দিয়ে মানুষটারে বাতাস করে।
-আহারে, মানুষটা! কোনদিনও তার পাছা মাইত্তে পাইরলো না।