কিভাবে বাঁচতে হয়, আমি শিখে গেছি, এমনটা নয়___
বরং, নিয়ম করে, রোজ এইভাবে
বাঁচতে বাঁচতে, বেঁচে থাকাটা
অভ্যেসে দাঁড়িয়ে গেছে।
রোজ তাই, “এইভাবে বাঁচা যায়!” বলতে বলতে
দেখছো না, কেমন দিব্যি বেঁচে আছি।
কে জানি বলেছিলো, “বেঁচে থাকাটাই সব নয়।”
ওই যে কার্ণিশের কাক, এই ঝিমুনো কুকুর,
পাশের বাসায় তরকারী এঁটো করে
রোজ দুপুরে
পালিয়ে যায় যে বিড়ালটা___
ওরাও কি বেঁচে নেই?
তা’বলে এই কি বাঁচা?
যে বুড়ো চৌকিদার, রাতভর ভূতের বেগাড় খেটে
সকালে বাড়িতে ফিরেই উনুনে রান্না চড়ায়
ঘুমুতে যাবার আগে,
সেওতো বেঁচে আছে!
যার সব আছে, যার কিচ্ছু নেই, নির্বিশেষে
তারা সবাই, দ্যাখো কি দিব্যি বেঁচে আছে।
তা’ বলে এই কি বাঁচা?
বুক ভরে শ্বাস নিতে পারলেই
তাকে বেঁচে থাকা বলে না।
হৃদস্পন্দন চলছে মানেই
বেঁচে আছো, এমনটা নয়।
মদের বোতল, সিগ্রেট, গাঁজার পুরিয়া
বেঁচে থাকা নয়।
কব্জি খাঁমচে ধরা প্রেমিকার হাত
বেঁচে থাকা নয়।
হাওয়ায়, সবুজে, নীলে অবাধ উড়াল
বেঁচে থাকা নয়।
বাঁচবার ইচ্ছে এক অদ্ভুত অসুখ।
মগজ কামড়ে খাওয়া
অদ্ভুত অভিমানী পোকা।