অবিচল রাত ঘেমে নেয়ে হলে ভোর
কিংবা অশনি আঘাতে ফুরালে ঘোর
যে হাতের চাপ সাহস যোগাতো কাঁধে
যে পরান ফিরে পরানে পরান বাঁধে-
তারে ছেঁড়ে যেতে, ছিঁড়ে যেতে তার পাড়,
কে পারে! কিভাবে! যায় কি আদৌ! আর-
প্রতিকূলগামী নাওয়ের বৈঠা ভেঙে
যে মাঝি উঠেছে দুর্দিন মেখে রেঙে,
যে নাবিক জানে জাহাজডোবার জ্বালা,
চোখ মাস্তুলে, দিকভুলে দিশাহারা!
তার ভ্রান্তিতে, অক্ষমতার পাপে-
পুড়ে যাবে যদি জীবনেরা অভিশাপে!
স্বপ্ন, সকাল, সুন্দর তবে কই!
বলো বিভাবরী, প্রেয়সী, আমার সই!
অনিমিখ চোখ তোমারে চেয়েছে, সত্যি
কব্জির মুঠি চেয়েছে তোমার হাত
জীবন মেনেছে প্রতিদানহীন ব্রাত্যি,
তবু উজ্জ্বল তোমার প্রতিটা রাত।
তোমারে চেয়েছি তোমার তোমারে চিনে
পাওনি কি টের সমর্পনের ঘ্রাণ!
উতলা বাতাস উন্মুখ দক্ষিনে
দ্যাখো পড়ে কার ভিখিরি কাঙাল প্রাণ!