ফের কড়া নেড়ে দ্যাখতো,
অসময়ের মেঘে কয়ফোঁটা
বৃষ্টির জলে,
আমার স্পর্শ নেই??
আর, এখন তো রোদ্দুর বেশ।
তমশার কালে, আশাদের চকমকি
ক্লান্তিহীন ঠুকে যেতে, কখনো কি
এই চোখে দেখেছিলি
কানাকড়ি দ্বিধা??
এতোকালে এই তবে চিনলি!
হুম, এখন রোদ্দুর বেশ।
সুসময়, সকাল আর সবুজের
ভাগ নিতে
আনাড়ি আমায়; ক্ষমা করিস।
না’হয় ধরে নিলি,
দিতে দিতে, বিলোতে বিলোতে
হঠাৎ খানিক কিপ্টেই হয়ে গেছি।
কিংবা, খুব ভালো থেকে
কিছুটা খারাপ হলে
কি এমন আসে যায়?
ভালো থাক। কে জানে,
এখন আর জানিস কিনা-
খারাপীর প্রশ্ন এলেই
আমি যে, ফের ভালো হয়ে যাই।
আর পারলে,
ক্ষমা করিস।
সুসময়, সকাল আর সবুজের ভাগ নিতে
সত্যিই আনাড়ি আমি।
>>>>>>>>>>
কিছু কিছু সম্পর্কের সাথে যুক্তির আপোষ করিনা কখনো,
আর কখনো করিনি বলেই, দেখেও চতুর চোখ
ঠিকই বুজিয়ে রেখেছি। এক তরফা এমন জিতেও
একবারও ভাবিসনি, এতোটা সহজ কখনোই
অতোটা সহজ নয়। অথচ, কি সহজেই
এখনও আকন্ঠ তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলিস।
বড্ড হাসি পায়- এতো বোকা কেন তুই?
তোকে অমনটা চিনি বলেই, এমন
জিতে গেলি। ঠিক জিৎ নয়, কিছু জিৎ
পরাজয়ের শর্তপূরণও বটে। যাহোক,
ভাবিস নে খারাপ লেগেছে। লাগতো হয়তো,
যদি তোকে না চিনতুম অতোটা।
আজ নয়, বহু বছর পর
নিকোটিন-মুখর স্মৃতিবিলাসের ধোঁয়া-কপচানো
কোন বিকেলে, আবছা আলোর ক্যানভাসে
মেলে ধরে দ্যাখাবোখন, গল্পের পুরোটা অবয়ব।
ততোদিন না হয় এভাবেই জিতে গেলি…..
>>>>>>>>>>
ব্যস্ততার কথা তুললে, মার খাবি।
সেই সব অন্ধকার দিনে
আমারও ব্যাস্ততা ছিলো।
মনে করে দ্যাখতো,
পথ দ্যাখানো আলোটা
ঠিক কার হাতে ছিলো???
>>>>>>>>>>
মনেই থাকে না,
জীবন এখন অর্থনীতির নিয়ম মেনে চলে,
“মূল্য” তাই “লভ্যতা”র বিপরীত।
নইলে কি আর নিজেকে
এতোটা সহজ
আর সস্তা করে ফেলি…..
>>>>>>>>>>