হারিয়ে ফেলবো কবিতার ক্ষুধা যদি,
এতো ছেঁড়া পাতা, খেরোখাতা জোড়া এতো আবেগের পংক্তি
আমাকে না দিলে, আর কাকে দেবে অভিশাপ?
বুক ভেঙে গেলে সুখ পেতে হাঁটা রোদ্দুর-পোড়া পথে
কাঁদতে শিখিনি, ভিজতে শিখেছি উদোম বৃষ্টি জলে,
কালো তামাশার অট্টহাসিরা বিদ্রূপও করে যদি
চোখ টিপে ফের আড়ালে তুলেছি চোখের শুদ্ধ ব্যথা।
তবু, কবিতা হারিয়ে গেলে…?
জীবন না পেলে জীবনের তৃষা? আমার কবিতা-নারী?
ঘুণপোকা চুপে খেয়ে গেলে হাতে, হাতের আলিঙ্গন?
ক্ষুধা মরে যায়, ক্ষুধা মরে যায়, পাতা পড়ে থাকে সাদা
নদী জানে নাই কি মানে ভাঙনে? কিছুতে মেলে ধাঁধা।
শহর বোঝেনি মানুষের দাবী, মানুষও বোঝেনা তাই।
শুধু বুঝলাম, মুঠো আছে, নেই মুঠোর স্বপ্নরাই।
আমাদের নয় এজন্মকাল, অন্ধ ভ্রান্ত বেলা,
আমাদের নয় শালিখ সকাল, মিহি সন্ধ্যার খেলা,
মেঘাতু নিহিরা, নীল প্রজাপতি, ডানা ভাঙা প্রিয় পাখি,
শ্রাবণের রোদে, ফিকে হয়ে যাও, ফিকে হয়ে যাও, সোনা।